মানুষের কল্যাণে কিছু করার ইচ্ছা থাকলে স্বল্প সামর্থ্যও বাধা হয়ে দাঁড়ায় না—এমনই এক অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন রাজশাহীর শিরোইল কলোনি ২ নম্বর গলি এলাকার যুবক মধু। নিজের উদ্যোগ ও নিজ অর্থায়নে ৫১ কেজি দুধ ও ৫ কেজি চাল দিয়ে সুস্বাদু ও খাঁটি স্বাদের পায়েস রান্না করে রোজাদারদের মাঝে বিতরণ করেন তিনি।
জানা যায়, মধু একটি প্রতিষ্ঠানে ওয়াসফিডে ডেইলি বেসিক কর্মচারী হিসেবে কাজ করেন এবং স্বল্প বেতনের চাকরি করেন। সীমিত আয়ের মধ্যেও মানুষের জন্য কিছু করার প্রবল ইচ্ছা থেকেই তিনি এই ব্যতিক্রমী আয়োজন করেন। দীর্ঘদিন ধরে তার মনে ছিল পবিত্র রমজান মাসে রোজাদারদের জন্য বিশেষ কোনো খাবারের ব্যবস্থা করবেন। আল্লাহর রহমতে সেই ইচ্ছা বাস্তবে রূপ নেয়।
অনুষ্ঠান শেষে মোনাজাত করা হয়। এরপর উপস্থিত রোজাদারদের মাঝে এক গ্লাস করে পায়েস এবং একটি করে বিরিয়ানির প্যাকেট বিতরণ করা হয়।
এ উদ্যোগ বাস্তবায়নে মধুকে সার্বিকভাবে সহযোগিতা করেন শকুর, শাহীন ও ডলারসহ এলাকার আরও অনেকেই। তাদের সহযোগিতায় আয়োজনটি সুন্দরভাবে সম্পন্ন হয়।
স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, স্বল্প আয়ের চাকরি করেও মধুর এমন মানবিক উদ্যোগ সত্যিই প্রশংসনীয়। তার এই উদ্যোগ সমাজে ইতিবাচক বার্তা ছড়িয়ে দেবে এবং অন্যদেরও ভালো কাজে এগিয়ে আসতে অনুপ্রাণিত করবে।
এ বিষয়ে মধু বলেন, মানুষের মাঝে কিছু বিতরণ করতে পেরে আমি আত্মতৃপ্তি পেয়েছি। আল্লাহর অলিদের আদর্শকে ভালোবাসি এবং তাদের পথ অনুসরণ করার চেষ্টা করি। ভবিষ্যতেও সামর্থ্য অনুযায়ী মানুষের জন্য কিছু করার ইচ্ছা রয়েছে।
জানা যায়, মধু একটি প্রতিষ্ঠানে ওয়াসফিডে ডেইলি বেসিক কর্মচারী হিসেবে কাজ করেন এবং স্বল্প বেতনের চাকরি করেন। সীমিত আয়ের মধ্যেও মানুষের জন্য কিছু করার প্রবল ইচ্ছা থেকেই তিনি এই ব্যতিক্রমী আয়োজন করেন। দীর্ঘদিন ধরে তার মনে ছিল পবিত্র রমজান মাসে রোজাদারদের জন্য বিশেষ কোনো খাবারের ব্যবস্থা করবেন। আল্লাহর রহমতে সেই ইচ্ছা বাস্তবে রূপ নেয়।
অনুষ্ঠান শেষে মোনাজাত করা হয়। এরপর উপস্থিত রোজাদারদের মাঝে এক গ্লাস করে পায়েস এবং একটি করে বিরিয়ানির প্যাকেট বিতরণ করা হয়।
এ উদ্যোগ বাস্তবায়নে মধুকে সার্বিকভাবে সহযোগিতা করেন শকুর, শাহীন ও ডলারসহ এলাকার আরও অনেকেই। তাদের সহযোগিতায় আয়োজনটি সুন্দরভাবে সম্পন্ন হয়।
স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, স্বল্প আয়ের চাকরি করেও মধুর এমন মানবিক উদ্যোগ সত্যিই প্রশংসনীয়। তার এই উদ্যোগ সমাজে ইতিবাচক বার্তা ছড়িয়ে দেবে এবং অন্যদেরও ভালো কাজে এগিয়ে আসতে অনুপ্রাণিত করবে।
এ বিষয়ে মধু বলেন, মানুষের মাঝে কিছু বিতরণ করতে পেরে আমি আত্মতৃপ্তি পেয়েছি। আল্লাহর অলিদের আদর্শকে ভালোবাসি এবং তাদের পথ অনুসরণ করার চেষ্টা করি। ভবিষ্যতেও সামর্থ্য অনুযায়ী মানুষের জন্য কিছু করার ইচ্ছা রয়েছে।
স্টাফ রিপোর্টার